জুন ১৯, ২০২১
MIMS TV
আন্তর্জাতিক কোভিড ১৯

বাংলাদেশের করোনা টিকা তালিকাভুক্ত করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন ‘ব্যানকোভিড’ এর নাম তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত ১৫ অক্টোবর তালিকাভূক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

এদিকে আজ গ্লোবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকই বিশ্বের একমাত্র প্রতিষ্ঠান যাদের আবিষ্কৃত সর্বোচ্চ তিনটি ভ্যাকসিনের নাম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় রয়েছে।

গ্লোব বায়োটেকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৫ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত তিনটি ভ্যাকসিনকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।’

ভ্যাকসিনগুলো হচ্ছে, D614G variant mFNA Vaccine, DNA Plasmid Vaccine, Adonocirus Typo-5 Vcctor Caccine. প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের ভ্যাকসিনসহ ১৫৬টি কোম্পানি রয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে গবেষকেরা একটি ভ্যাকসিন তৈরির লক্ষ্যে ছুটছেন। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৪০টির বেশি ভ্যাকসিনের ওপর নজর রেখেছে। ভ্যাকসিন তৈরি ও পরীক্ষা করতে সাধারণত বেশ কয়েক বছর সময় লাগে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে তবেই ভ্যাকসিন ব্যবহারের উপযোগী হয়। তবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে গবেষকেরা ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

সম্প্রতি গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড দাবি করে, উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ‘ব্যানকোভিড’ প্রাণিদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। মানবদেহে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের প্রস্তুতি তাদের রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিক স্বদিচ্ছার প্রয়োজন। সরকারের সার্বিক সহযোগিতা পেলে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে কোভিড-১৯’র ভ্যাকসিন বাজারে আনতে চায় গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেছেন গ্লোব বায়োটেক।

তারা বলছেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এই সংক্রমণে ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টটি শতভাগ দায়ী বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদও (বিসিএসআইআর) বাংলাদেশে সংক্রমণের জন্য ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টকে দায়ী বলে নিশ্চিত করেছে। গ্লোব বায়োটেক এর নিজস্ব প্রদ্ধতিতে উদ্ভাবিত ব্যানকোভিড ভ্যাকসিনটি ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র আবিস্কৃত টিকা। প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং কার্যকর হিসবে প্রমাণিত হয়েছে। যার বিস্তারিত ফলাফল বায়ো-আর্কাইভে প্রি-প্রিন্ট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। মাত্র ৬ সপ্তাহে বায়ো আর্কইভে ৫ হাজার ৮৫টি গবেষণাপত্র জমা পড়েছে। যারমধ্যে ৬৯তম গবেষণা হিসবে গ্লোব বাায়োটেকের ভ্যাকসিন সংক্রান্ত গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।

Related posts

ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে যুক্তরাজ্যে

শাহাদাৎ আশরাফ

ছয় মাসের মধ্যেই আসছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন

admin

বাংলাদেশ সফরে হাসিনা-মোদি’র সমঝোতা স্বাক্ষর

admin

Leave a Comment

Translate »