জুন ১৮, ২০২১
MIMS TV
অভিমত আ ব ম ফারুক প্রিয় লেখক স্বাস্থ্য

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় মাস্কের সঙ্গে চশমাও কেন প্রয়োজন

আ ব ম ফারুক

এই করোনাকালে অনেকে জিজ্ঞেস করছে হাতের গ্লাভস ও মাস্ক প্রতিদিনই ফেলে দেওয়াটা নিয়ম কি না, নাকি সেগুলো ধুয়ে আবার ব্যবহার করা যায়। পরামর্শ হলো, যদি গ্লাভসের দাম খুব বেশি না হয়, তাহলে প্রতিদিনই ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়াই ভালো। কিন্তু যদি দাম বেশি হয়, তাহলে তা সাবান-পানি দিয়ে ভেতরে-বাইরে দুদিকেই ধুয়ে নিয়ে শুকাতে দেওয়া যায়, যাতে পরদিন ব্যবহারযোগ্য হয়। তবে গ্লাভস ধুয়ে নেওয়া কিন্তু খুব ঝামেলার কাজ। লেটেক্সের পাতলা গ্লাভসের সর্বত্র সাবান-পানি ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তা ছাড়া আরো নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে কমপক্ষে আধামিনিট ধরে গ্লাভসের প্রতিটি অংশ সাবান-পানি পাচ্ছে।

মাস্কের বেলায় যদি তা তিন বা চার ভাঁজ কাপড়ের তৈরি হয়, তাহলে তা একই নিয়মে সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নেওয়া যায়। কাপড়ের দুটি মাস্ক থাকলে সুবিধা হবে যে পর্যায়ক্রমে ব্যবহার করে ধুয়ে নেওয়া ও শুকানোর জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে; কিন্তু মাস্ক যদি কাপড়ের না হয়ে সিনথেটিক হয়, যেমন—সার্জিক্যাল মাস্ক বা এন৯৫ বা কেএন৯৫ মাস্ক হয়, তাহলে ধুলে এটি নষ্ট হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে এটি আবার ব্যবহারের প্রশ্নই আসে না। মাস্কের দাম বেশি হলে তখন খরচ কমাতে একটি কাজ করা যেতে পারে। তা হলো চারটি মাস্ক একসঙ্গে কিনে ভেতরের দিকে ১, ২, ৩, ৪ নম্বর দিয়ে রাখতে হবে, যাতে বাইরে থেকে দেখা না যায়। এরপর প্রথম দিন ১ নম্বর মাস্ক পরতে হবে। বাড়ি ফিরে এই মাস্কটি অন্য মাস্কের সঙ্গে না রেখে আলাদা কোথাও রেখে দিতে হবে। পরের দিন পরতে হবে ২ নম্বর চিহ্নিত মাস্কটি। সেটিও সেদিন বাড়ি ফিরে আলাদা কোথাও রাখতে হবে। তার পরের দিন ৩ নম্বরটি ব্যবহার করতে হবে। এভাবে ৪ নম্বরটি ব্যবহারের পরের দিন আবার ১ নম্বরটি ব্যবহার করা যাবে। এভাবে চক্রাকারে চারটি মাস্ক ব্যবহারের কারণ হলো—বিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্য যে মাস্কের গায়ে লেগে থাকা এই ভাইরাস ৭২ ঘণ্টা বেঁচে থাকতে পারে। অতএব, এই নিয়মে চক্রাকারে চারটি মাস্ক ব্যবহার করলে প্রতিটি মাস্ক ব্যবহারের মাঝে তিন দিন সময় পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ আপনি মাস্ক না ধুয়েও এটি করোনামুক্ত করতে পারছেন।

হাত ধোয়ার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চেয়ে সাবান-পানিই বেশি কার্যকর এবং খরচও খুবই কম। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের লাগামছাড়া দাম নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জনগণকে যথেষ্ট যন্ত্রণা দিয়েছেন। তা ছাড়া এগুলোতে আরেক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার জন্য আইসোপ্রপাইল অ্যালকোহল বা ইথাইল অ্যালকোহলের পরিবর্তে কম দামের মিথানল, বেনজিন ইত্যাদি ব্যবহার করে মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ ঘটিয়েছেন। তা ছাড়া দাম বেশি বলে মানুষ ব্যবহারের সময় এটি প্রয়োজনীয় পরিমাণের চেয়ে কম নেয়। তাই হাতের দুই পাশে, আঙুলের ফাঁকে এবং নখের কোনায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয় না। ফলে হাত ঝুঁকিমুক্ত হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ থেকেই যায়।

তবে সঠিকভাবে ব্যবহার করলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কার্যকারিতা খুবই ভালো। তা ছাড়া হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের পর সাবান-পানির মতো পরিষ্কার কাপড়ে হাত মুছতে হয় না। কাপড় পরিষ্কার না থাকলে হাতে আবার অণুজীবের সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো বাড়ি বা কর্মস্থলের বাইরে থাকার সময় যেখানে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সুবিধা থাকে না, সেখানে এটির ব্যবহার খুবই সুবিধাজনক।

তবে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সুবিধা থাকলে সেটি করাই সর্বোত্তম ও সাশ্রয়ী। কিন্তু মনে রাখতে হবে, হাত ধোয়ার সময় হাতের দুই পাশ, আঙুলের ফাঁক এবং নখের কোনাগুলো ঘষে ঘষে ধুতে হবে। মনে রাখা দরকার, হাতের নখ বড় রাখলে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া নিষ্ফল হবে। কারণ সে ক্ষেত্রে অণুজীব নখের ভেতরের দিকের কোনায় নিরাপদ আশ্রয়ে থেকেই যাবে, হাত করোনামুক্ত হবে না।

সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার সময় বিশেষ কোনো জীবাণুনাশক সাবান ব্যবহার করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কারণ এসব জীবাণুনাশক সাবানের দাম সাধারণত বেশি হয়ে থাকে। অযথা বেশি দামি সাবান না কিনে সাধারণ সাবান দিয়েই হাত ধুয়ে হাত করোনামুক্ত করা সম্ভব; বরং কম দামি, এমনকি কাপড় ধোয়ার সাবান দিয়েও তা করা যায়। বলা যায়, এসব সাবানে ক্ষারত্ব বেশি থাকে বলে দামি বা জীবাণুনাশক সাবানের চেয়েও এগুলো হাত করোনামুক্ত করার ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।

তবে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ক্ষেত্রে যে ভুলটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘটছে তা হলো, কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার নিয়ম থাকলেও তা হচ্ছে না। এর কম সময়ে তাড়াহুড়া করে হাত ধুলে হাত করোনামুক্ত হয় না। অনেক সচেতন মানুষকেও দেখেছি, তাঁরা হাত ধোয়ার জন্য ২০ সেকেন্ড ব্যয় করেন না। তাঁরা মনে করেন, ২০ সেকেন্ড হয়তো হয়ে গেছে; কিন্তু বাস্তবে ১০ থেকে ১২ সেকেন্ড হয়। এ সমস্যা নিরসনের জন্য আমাদের পরামর্শ হলো—আপনার হাত ধোয়ার জায়গায় একটি সেকেন্ডের কাঁটাওয়ালা ঘড়ি রাখুন এবং হাত ধোয়ার সময় ঘড়ির দিকে চোখ রাখুন।

কিংবা হাত ধোয়ার সময় মনে মনে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ অথবা ‘আমরা করব জয়’ অথবা ‘হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ’ গানগুলোর যেকোনোটির প্রথম চার লাইন সুর করে গাইবেন। তাড়াতাড়ি গাইবেন না। স্বাভাবিক গতিতে গাইলে তাতে ২০ সেকেন্ড হবে।

কিংবা হাত ধোয়ার শুরু থেকে সংখ্যা গুনতে থাকুন। ১ থেকে ২০ নয়, কারণ তাতে ২০ সেকেন্ড না হওয়ারই আশঙ্কা বেশি; বরং স্বাভাবিক গতিতে ১০০১, ১০০২ এভাবে ১০২০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন। আরো ভালো হয় ১০৩০ পর্যন্ত গুনলে। এতে সময় ২০ সেকেন্ড লাগবে। ৩০ সেকেন্ড লাগলেই বা ক্ষতি কী? করোনার মতো এই মহাযন্ত্রণা থেকে মুক্ত থাকার অন্যতম সাবধানতা হিসেবে না হয় আমরা ১০ সেকেন্ড সময় বেশিই ব্যয় করলাম। জীবন বাঁচানোর চেয়ে কি সময়ের মূল্য বেশি? একেবারে কড়ায়-গণ্ডায় ২০ সেকেন্ডই হতে হবে কেন? নিশ্চিত হওয়ার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় বেশি দেব না কেন?

সাবান-পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার যা-ই ব্যবহার করুন, যাঁরা বাড়ির বাইরে যান, তাঁদের দিনে গড়ে আটবার হাত ধোয়া উচিত। যাঁরা বাইরে যান না, তাঁরা কমপক্ষে পাঁচবার। বাসার বাইরে না গেলে এতবার হাত ধোয়ার প্রয়োজন নেই—এমনটি ভাবা ঠিক হবে না। কারণ বাড়িতে থাকলেও বিভিন্নভাবে বাইরে থেকে করোনার অণুজীব হাতে এসে লাগতেই পারে। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পর পরিষ্কার তোয়ালে, গামছা বা কাপড় দিয়ে হাত ভালো করে মুছে নিতে হবে।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান-পানির ব্যবহারে উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রতিদিন কমপক্ষে একবার হাতে কোনো তেল বা লোশন মাখুন। এতে হাতের ত্বক ভালো থাকবে; নইলে ঘন ঘন হাত ধোয়ার কারণে হাতের ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। এখন শীতকাল আসছে বলে এ বিষয়ে সাবধানতা আরো দরকার।

সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার মতো মুখ ধোয়াও জরুরি। দিনে আটবার না হোক, বাড়িতে বা কর্মস্থলে যেখানেই থাকুন, অন্তত কয়েকবার মুখ ধুতে হবে।

এই শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে মুখের ত্বক, নাক, চোখ বা চোখের পাতা গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালের চেয়ে বেশি চুলকায়। কিন্তু হাত না ধুয়ে কিংবা গ্লাভস পরা অবস্থায় কিছুতেই মুখ, নাক, চোখ বা চোখের পাতা চুলকানো যাবে না। কারণ অপরিষ্কার হাত থেকে করোনাভাইরাস এসব জায়গায় যেতে পারে এবং এখানকার মিউকাস মেমব্রেন বা শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির মাধ্যমে শ্বাসতন্ত্রে পৌঁছে গিয়ে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। চুলকাতে হলে হাত সাবান-পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।

করোনাভাইরাস শরীরে প্রবেশ করতে পারে তিনটি পথ দিয়ে। এগুলো হলো—মুখ, নাক ও চোখ। মুখ ও নাক দিয়ে প্রবেশ করতে অণুজীবটি বাধা পেতে পারে মাস্কের কারণে। এন৯৫ মাস্কের নামকরণটিই হয়েছে বাতাসে ভাসমান করোনাভাইরাসের ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত এরোসল এটি আটকে দিতে পারে বলে। কিন্তু চোখের বেলায় কী হবে? চোখে করোনাভাইরাস পৌঁছতে পারলে চোখের সাদা ও কালো অংশের উপরিভাগের যে অতি পাতলা স্বচ্ছ পর্দা কনজাংটিভা, তা ভেদ করতে পারে। (সূত্র : Siedlecki J, Brantl V, Schworm B, et al. COVID-19 : Ophthalmological aspects of the SARS-CoV 2 global pandemic. Klin Monbl Augenheilkd 2020;237:675–680) তারপর এটি চোখের অশ্রুনালির মধ্যে প্রবেশ করে নাসিকার পথে চলে যায় এবং শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। {সূত্র : (১) Chen L, Liu M, Zhang Z, et al. Ocular manifestations of a hospitalised patient with confirmed 2019 novel coronavirus disease. Br J Ophthalmol 2020 Apr 7 এবং (2) Deng W, Bao L, Gao H, et al. Ocular conjunctival inoculation of SARS-CoV-2 can cause mild COVID-19 in Rhesus macaques. bioRxiv, 2020.} তাই চোখে যাতে ভাইরাসটি না পৌঁছতে পারে, সে জন্য অপরিষ্কার হাতে চোখ স্পর্শ করা বা চুলকানো যাবে না। উপরন্তু যেহেতু ভাইরাসটি বায়ুবাহিত, সেহেতু ধুলাবালি বা বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে যাতে এটি চোখে না পৌঁছে, সে জন্য বিজ্ঞানীরা মুখে ফেস শিল্ড পরতে পরামর্শ দিয়েছেন। {সূত্র : Marra AR, et al. Examining the need for eye protection for coronavirus disease 2019 (COVID-19) prevention in the community. Infection Control & Hospital Epidemiology, 2020 : 1-2} ফেস শিল্ডের অভাবে নিদেনপক্ষে চোখে চশমা পরা যেতে পারে। করোনা মহামারির শুরুতে গণচীনের হুবেই প্রদেশের একটি হাসপাতালের তথ্য হচ্ছে, যে ২৭৬ জন কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী সেখানে ভর্তি হয়েছিল, তার মধ্যে যারা চশমা পরত তাদের সংখ্যা ছিল বেশ কম। (সূত্র : Zeng W?, Wang X?, Li J?, et al. Association of daily wear of eyeglasses and susceptibility to COVID-19 infection. JAMA Ophthalmol. Published online September 11, 2020)

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই চশমা ফ্যাশনেবল ছোট চশমা নয়, বরং গ্লাস যথাসম্ভব বড় আকারের এবং গ্লাসের ফ্রেম ও চোখের কোনার মধ্যে ফাঁক কম থাকবে—এ রকম কিছুটা বাঁকানো চশমা পরতে হবে। এটি রোদ চশমা বা গগলসও হতে পারে। যেটি জরুরি তা হলো, চোখের কোনা ও গ্লাসের ফ্রেমের মধ্য দিয়ে একটি আঙুল ঢুকতে পারে—এমন ফাঁকা থাকতে পারবে না। সে জন্যই কিছুটা বাঁকানো বড় গ্লাসের চশমা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে করোনা মহামারির শুরুর দিকে লোকজন গ্লাভস ও মাস্ক ব্যবহার করলেও চোখের মধ্য দিয়ে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য চশমা পরেনি। সরকারিভাবেও এ বিষয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি। আর এখন তো মানুষ মাস্কই পরছে না, চশমা পরবে দূরের কথা; বরং দেখা যাচ্ছে যারা মাস্ক পরছে, তারা কিছুটা টিপ্পনীর সম্মুখীন হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় এই প্রবণতা অত্যন্ত বিপজ্জনক। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার আগেই আমাদের সাবধানতা হিসেবে গ্লাভস ও মাস্ক পরা, ঘন ঘন হাত ধোয়া, কমপক্ষে ছয় ফুটের সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা, মাস্ক ছাড়া লোকজন কিংবা যারা জোরে কথা বলে তাদের সামনে না যাওয়া, যানবাহন ও বাজারে সর্বত্র ভিড় পরিহার করা, টাকা বা কাগজ গোনার সময় আঙুল দিয়ে জিহ্বা বা ঠোঁট স্পর্শ না করা, চুলসহ শরীর যথাসম্ভব আবৃত রাখা, বাইরে থেকে বাড়িতে ফিরে সব পরিধেয় ধুতে দেওয়া, হাত-মুখ না ধুয়ে ঘরের কোনো কিছু না ধরা ইত্যাদি সতর্কতার সঙ্গে বড় চশমা দিয়ে চোখ ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়াও এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব কাজ করতে হবে। গণমাধ্যম এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে; নইলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধনী-গরিব ও শহর-গ্রাম-নির্বিশেষে আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত মারাত্মক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

লেখক : পরিচালক, বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার; সাবেক চেয়ারম্যান, ফার্মেসি বিভাগ; সাবেক চেয়ারম্যান, ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগ; সাবেক ডিন, ফার্মেসি অনুষদ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাবেক আহ্বায়ক, জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬ প্রণয়ন উপকমিটি
abmfaroque@yahoo.com

– কালের কন্ঠ থেকে

Related posts

যুক্তরাজ্য জুড়ে আবারও লকডাউন-এ নিয়ে তৃতীয়বার লকডাউনে দেশটি

admin

রক্ত জমাট বাঁধার উদ্বেগের কারণে জনসন জনসনের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের মার্কিন বিরতি ব্যবহারের সুপারিশ

admin

অক্সফোর্ডের পর দেশীয় ‘কোভ্যাক্সিন’ টিকার অনুমোদন দিলো ভারত

admin

Leave a Comment

Translate »