জুন ১৯, ২০২১
MIMS TV
অভিমত খেলাধুলা প্রিয় লেখক মু: মাহবুবুর রহমান

ইতিহাসের বিখ্যাত দুই গোলের কারিগর-ম্যারাডোনা

মু: মাহবুবুর রহমান

ফুটবল বিশ্বকে কাঁদিয়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়াগো ম্যারাডোনা। এইতো সেদিন ৬০তম জন্মদিন পালন করা এই কিংবদন্তি এখন অতীত। যদিও ম্যারাডোনাকে অতীত বলা ভুল, তিনি আছেন এবং থাকবেন তাঁর শত কোটি ভক্তের হৃদয়ে।  বিশেষ করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতার পেছনে ম্যারাডোনার অবদান কোনোদিন ভুলতে পারবে না আর্জেন্টাইনরা। আর ঐ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি অবিশ্বাস্য গোল ফুটবলভক্তদের মনে স্থায়ী আসন গেড়ে আছে। এর একটা তো ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে বিখ্যাত। আর দ্বিতীয়টি ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে অমর হয়ে আছে এবং থাকবে।

যদি প্রশ্ন করা হয় ফুটবল ইতিহাসে বিখ্যাত গোল কোনটি? উত্তর অবশ্য ফিফা দিয়েছে শতাব্দীর সেরা গোল (‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’) নির্বাচন করে। ফিফার মতে ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা গোল হলো ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা ম্যারাডোনার গোল। ঐবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি গোল করে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিলো আর্জেন্টিনা। আর ঐ দুটি গোলই এসেছিলো ফুবল জাদুকর ম্যারাডোনার অসাধারণ ক্রীড়া নৈপূন্যে। দুটি গোলই অবশ্য বিশ্ব সেরা।

অনেকের মনে হতে পারে ১৯৮৬ তে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা ম্যারাডোনার গোল মানে তো ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল, সেটা আবার সেরা গোল হয় কী করে? আসলে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নিয়ে এতো বেশি আলোচনা হয়েছে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ নিয়ে বোধহয় এতো বেশি আলোচনা হয়নি। আরেকটি কারণ হতে পারে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নিয়ে আলোচনা – সমালোচনা চলছে ১৯৮৬ সাল থেকে আর ফিফা ‘শতাব্দীর সেরা গোল (গোল অব দ্য সেঞ্চুরি)’ নির্বাচন করে ২০০২ সালে।  বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, দুটো গোলই হয়েছিল ১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা ম্যাচে, মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে! এবং দুটো গোলেরই কারিগর ছিলেন ম্যারাডোনা।

‘হ্যান্ড অব গড’ গোল

১৯৮৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ২২ শে জুন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ডের। ম্যাচে দুই পক্ষের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই তাই ইংল্যান্ডকে চেপে ধরে আর্জেন্টিনা। মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় অর্থাৎ ম্যাচের ৫১ মিনিটেই ওই গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক ম্যারাডোনা। বক্স থেকে বল পাওয়ার পর ম্যারাডোনা বাঁ পায়ে সেটিকে পাস করে দেন টিমমেট জোর্গে ভালদানোকে। ভালদানো ইংলিশ ডিফেন্ডারদের কাটানোর চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু তিনি সুবিধে করে উঠতে পারেননি। ইংলিশ ডিফেন্ডার স্টিভ হজ বলটি ক্লিয়ার করেন। বলটি এর পর যখন পেনাল্টি বক্সের মধ্যে উড়ে আসে, তখন ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিটার শিলটন ডান হাত তুলে লাফিয়ে বলটি ফিস্ট করতে যান।

ম্যারাডোনাও অন্য দিকে বল তাড়া করে ছুটতে ছুটতে লাফান হেড করার জন্য। ৬ ফুট ১ ইঞ্চি লম্বা ইংলিশ গোলরক্ষকের চেয়ে ৮ ইঞ্চি খাটো হলেও বলের নাগাল পান ম্যারাডোনা। সে সময় ম্যারাডোনার বাঁ হাতটি মাথার খুব কাছেই ছিল। ম্যারাডোনা গোল করার সময় আগে তাঁর বাঁ হাতটি বলে লাগে। তার পর বল মাথা ছুঁয়ে গোলে ঢুকেছিল। হেডের ছলে তাঁর হাতের টোকায় করা গোল এতটাই নিখুঁত ছিল যে রেফারি আলী বিন নাসেরের চোখ এড়িয়ে যায়। ম্যারাডোনাও এক বার রেফারি এবং লাইন্সম্যানের দিকে তাকিয়ে পুরোদস্তুর উল্লাস শুরু করেন।

অবশ্য ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনসহ চার-পাঁচজন ইংলিশ ফুটবলার গোল বাতিলের দাবি জানিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন রেফারির দিকে। কিন্তু ব্যাপারটি রেফারি সত্যিই বুঝে উঠতে পারেননি। পরে টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, গোলটি করার সময় ম্যারাডোনা হাত ব্যবহার করেন। ম্যারাডোনা পরে, এটি স্বীকার করে নিয়ে গোলটিকে ‘হ্যান্ড অব গড’ বলে অভিহিত করেন।

২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের একটি পত্রিকার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ‘হ্যান্ড অব গড’গোল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ম্যারাডোনা  বলেছিলেন, ‘‘যদি ফিরে গিয়ে ইতিহাস বদলাতে পারি, তাহলে সেটা করব।’’ তারপরই অবশ্য যোগ করেন, ‘‘কিন্তু একটা গোল সবসময়ই গোল। সেবার আর্জেন্টিনা বিশ্বজয়ী হয়েছিল। আমি সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলাম। সেই ইতিহাস তো বদলানো যাবে না। তাই আমিও জীবনে এগিয়ে যেতে চাই।’’

অবশ্য একথা বলাই যায়, যতদিন ফুটবল বেঁচে থাকবে ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল ও বেঁচে থাকবে। একদল ঐ গোলটিকে বাঁচিয়ে রাখবেন বিতর্কের মধ্য দিয়ে আর একদল বাঁচিয়ে রাখবেন ফুটবল শৈলির দোহাই দিয়ে।

গোল অব দ্য সেঞ্চুরি

‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলের পর আরেক অবিশ্বাস্য গোলের সাক্ষী হয় দর্শকরা। বিতর্কিত ঐ গোলের ঠিক ৪ (চার) মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোল করেন ম্যারাডোনা। যে গোলকে পরে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা গোল হিসেবে নির্বাচিত করে। ২০০২ সালে ফিফা অনলাইনে ভোটের আয়োজন করলে এই গোলটি ‘শতাব্দীর সেরা গোল (গোল অব দ্য সেঞ্চুরি)’ হিসেবে নির্বাচিত হয়।

‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলের পর, এবার নিজেদের অর্ধ্বে বল পেয়েছিলেন ম্যারাডোনা। শুরুতেই পিটার রেইড ও পিটার বার্ডসলিকে দ্রুত পায়ের সামনে থেকে হটিয়ে দিয়ে বল নিয়ে দৌড় শুরু করেন। বল নিয়ে ড্রিবল করতে করতে ছোটার পথে তিনি মোট ছয়জন ডিফেন্ডারকে পাশ কাটান এবং পরাস্ত করেন। এরপর নিজেই বল নিয়ে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে পরাস্ত করে আলতো টোকা দিয়ে বল জালে ঢুকিয়ে দেন।

পরে এই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা জানিয়েছিলেন যে, তিনি আসলে ভালদোনাকে দিতে চেয়েছিলেন বল। কিন্তু ভালদোনাকে ঘিরে রেখেছিলো ইংলিশ ফুটবলাররা আর তাই তাকে না দিয়ে নিজেই এগিয়ে যান বল নিয়ে। একে একে ৬ জনকে কাটিয়ে নিজেই বলকে পাঠান তার ঠিকানায়। আর ভালদোনা বলেন, গতি আর ড্রিবলিংয়ের মিশেলে ম্যারাডোনা করেছিল তাঁর অপূর্ব সুন্দর গোল।

এই দুই গোলের বর্ণনা দিতে গিয়ে ইংল্যান্ড ফুটবল দলের সাবেক ম্যানেজার ববি রবসন বলেছিলেন, “প্রথম গোলটা ছিল সন্দেহজনক কিন্তু দ্বিতীয়টা হলো ঐন্দ্রজালিক।”

রেফারির স্মৃতিতে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল ও ‘শতাব্দীর সেরা গোল’

১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে ম্যারাডোনার দুই গোল ‘হ্যান্ড অব গড’ ও  ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। আর সেই ম্যাচে রেফারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিউনিসিয়ান রেফারি আলী বিন নাসের।  সম্প্রতি বিবিসি’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সেই ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে থাকাটাকে গর্বের ও সম্মানের বলে উল্লেখ করেন আলী বিন নাসের। তিনি বলেন “ম্যারাডোনার ওই ঐতিহাসিক অর্জনের সঙ্গে আমিও জড়িয়ে থাকায় ব্যক্তি ও রেফারি হিসেবে আমি গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করি।”

‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আলী বিন নাসির বলেন “আমার স্পষ্ট মনে আছে। ইংলিশ ডিফেন্ডার (স্টিভ হজ) বল পেয়েছিল এবং পেছনে বাড়িয়েছিল। ম্যারাডোনা ও শিলটন শূন্যে ছিল এবং তাদের দুজনেরই পিঠ ছিল আমার দিকে। আমার সহকারী রেফারি বোগদান দোচেভের দিকে ছিল তাদের মুখ।”

প্রথমে রেফারির সামনে প্রতিবাদ করা ইংলিশ খেলোয়াড়রা পরে ছুটে যায় বুলগেরিয়ান লাইন্সম্যান দোচেভের কাছে। আলী বিন নাসির বলেন, “প্রথমে আমি দ্বিধায় ছিলাম, আমি দোচেভের দিকে তাকাই, সে মাঠের মাঝামাঝি ছুটে যায়, গোল নিশ্চিত করে। সে হ্যান্ডবলের সংকেত দেয়নি।” তিনি আরো বলেন, “ম্যাচের আগে ফিফা আমাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিল- যদি কোনো সহকর্মী আমার চেয়ে ভালো জায়গায় থাকে তাহলে তার মতকে সম্মান জানাতে হবে।” আলী বিন নাসের জানান “ফিফার গাইডলাইন অনুযায়ী, আমার মতে ওটা শতভাগ গোল ছিল।”

‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’  নিয়ে আলী বিন নাসের বলেন “সে (ম্যারাডোনা) মিডফিল্ড থেকে বল নিয়ে দৌড় শুরু করেছিল আর আমি তার পেছন পেছন ছুটছিলাম। ম্যারাডোনার মতো কাউকে রেফারিং করার সময় তার ওপর থেকে চোখ সরানো যায় না। তারা (ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা) তিনবার তাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু লক্ষ্য অর্জনের ক্ষুধা তাকে শুধু সামনেই এগিয়ে নিচ্ছিল।”

আলী বিন নাসের আরো বলেন, “বক্সের বাইরে থেকে আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম, কীভাবে তিন ডিফেন্ডারকে সে কাটাল। প্রায় ৫০ মিটার দৌড়েছিল। ভেবেছিলাম, ডিফেন্ডাররা এবার তাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করবে। সেরকমই ভাবছিলাম এবং পেনাল্টির বাঁশি বাজানোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম।”

কিন্তু আলী বিন নাসেরকে অবাক করে দিয়ে আরও এক ডিফেন্ডার এবং গোলরক্ষককে কাটিয়ে অবিশ্বাস্য গোলটি করেন ম্যারাডোনা। রেফারি আলী বিন নাসের উল্লেখ করেন “ইংলিশদের প্রথম তিন চ্যালেঞ্জে যদি আমি ফাউলের বাঁশি বাজাতাম তাহলে এমন জাদুকরী কিছুর সাক্ষী আমরা হতে পারতাম না। যে অ্যাডভান্টেজ আমি দিয়েছি, তা আমার সেরা অর্জনগুলোর একটি।”

২০১৫ সালে আলী বিন নাসেরের সঙ্গে দেখা করতে তিউনিসিয়ায় তার বাড়িতে গিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। সে সময়েরও স্মৃতিচারণ করে ৭৬ বছর বয়সী এই সাবেক তিউনিসিয়ান রেফারি জানান, “আমি তাকে (ম্যারাডোনাকে) বলেছিলাম, ‘আর্জেন্টিনা ওই বছর বিশ্বকাপ জেতেনি, জিতেছিল ম্যারাডোনা।’ সে উত্তর দিয়েছিল, ‘সেখানে তুমি না থাকলে আমি শতাব্দী সেরা গোল করতে পারতাম না’।”

গোল এবং বিতর্ক

১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা কোয়াটার ফাইনালে হারিয়েছিলো ইংল্যান্ডকে। এরপর সেমিতে বেলজিয়ামকে এবং ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো আর্জেন্টিনা। কিন্তু সেবারের সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল নিয়ে কোনো আলোচনা নেই, আলোচনা ঐ কোয়াটার ফাইনাল নিয়ে আর তার কারণ অবশ্যই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল।

ম্যারাডোনা চলে গেছেন ২৫শে নভেম্বর কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরও উঠে আসছে ১৯৮৬ সালের ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর সেই বহুল চর্চিত গোলের প্রসঙ্গ। ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নিয়ে বোধ হয় এতো আলোচনা হয়না, যতটা আলোচনা – সমালোচনা হয় ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল নিয়ে।  যদিও দুটি গোলই একই দিনে একই ম্যাচে ফুটবল জাদুকর ম্যারাডোনার অসাধারণ নৈপুণ্যে হয়েছিলো।

ফুটবল মাঠে ম্যারাডোনা ছিলেন একজন শিল্পী। দুর্দান্ত গতি আর বাঁ পায়ের অসামান্য নৈপুণ্যে ম্যারাডোনা ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জাদুকরি মুহূর্ত। আর সেরকম দুটি মুহূর্ত ‘হ্যান্ড অব গড’ ও গোল ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। এই ফুটবল কিংবদন্তি জীবনের মাঠ থেকে ২৫শে নভেম্বর চির বিদায় নিলেও সমর্থকদের মনে আজীবন থেকে যাবেন ফুটবলের অসংখ্য জাদুকরি মুহূর্ত ও চিরসবুজ তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে।

১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার প্রথম গোলটি ফুটবল কাব্য-গাঁথায় অমর হয়ে আছে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল হিসেবে। চার মিনিট পর করা দ্বিতীয় গোলটি ছিল ম্যারাডোনার অবিশ্বাস্য ফুটবল সামর্থ্যের ফসল; ছয়জনকে কাটিয়ে করা সেই গোলও অমর ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে বিবেচিত হয়ে। একই ম্যাচে এমন নিন্দিত আর নন্দিত হওয়ার নজির ফুটবল ইতিহাসে আর নেই, ভবিষ্যতে কি হবে? সে প্রশ্নের উত্তর হয়তো সময়ই বলে দেবে।

* মু: মাহবুবুর রহমান 

নিউজিল্যান্ডের মেসি ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক

Related posts

করোনা থাবা বসালো আইপিএল আসরে

Irani Biswash

চট্টগ্রামকে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের শিরোপা জেমকন খুলনার

admin

কোহলি আউট, রোহিত ইন

শাহাদাৎ আশরাফ

Leave a Comment

Translate »